মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২০ ইং, ১৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আজ মঙ্গলবার | ২ জুন, ২০২০ ইং

করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায খাদ্য সামগ্রীর বিশেষ ব্যবস্থা

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২০ | ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ | 76 বার

করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায খাদ্য সামগ্রীর  বিশেষ ব্যবস্থা

শরীয়াতপুর সদর পৌরসভা খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ তালিকা হচ্ছে

মোঃ শাহিন আলম, শরীয়তপুর থেকে:
করোনার কারনে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া স্পেশাল ওএমএস এর মাধ্যমে যারা সামাজিক নিরাপদ অন্যান্য সুবিধা পাচ্ছেনা তাদেরকে সাহায্য করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় শরীয়াতপুর সদর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল ১৮ এপ্রিল শনিবার বেলা ১১ টায় পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পৌরসভার সকল কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গন উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক অনল কুমার দে, শরীয়াতপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান শেখ, জেলা খাদ্য কর্মকর্তা এসএম তাহসিনুল হক, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা নুরুল হক প্রমুখ।

এসময় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি বাংলাদেশ পৌরসভার মেয়র এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মেয়র রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল বলেন,

আগামী ২০ এপ্রিলের আগে উপকারভোগীর নামের তালিকা সকল কাউন্সিলের মাধ্যমে জমা নেবেন। স্বচ্ছতার ভিত্তিতে তালিকা জমা দেওয়ার কেন্দ্রীয় কাউন্সিলরদের প্রতি দাবি জানান। জনগনের যাতে কোন কস্ট না হয় সেই জন্য প্রত্যেক ওয়ার্ডে ১ জন করে ডিলারের মাধ্যমে চাউল দেওয়া হবে। ডিলার ইচ্ছে করলে আমার পৌরসভার ট্রাক ব্যবহার করতে পারবে চাউল ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পৌছানোর জন্য। ডিলার ওয়ার্ডের মিডিল স্থানে বসবে। কোনভাবেই ভাসমানদের কার্ড দেওয়া যাবেনা। একটি পরিবার মাসে ২০ কেজি চাল পাবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান শেখ বলেন, আপনারা স্বচ্ছতার ভিত্তিতে চাউল বিতরন করুন, কোন অভিযোগ পেলে বরদাশ করা হবেনা, ডিলারশিপ বাতিল করা হবে। আর খেয়াল রাখবেন যেন সামাজিক দুরুত্ব বজায়ে থাকে, দরকার হলে চাউল দেওয়ার সময় স্বেচ্ছাসেবক দেওয়া হবে। খেয়াল রাখতে হবে যাতে কেউ খাদ্যাভাবে একত্রিত না হতে পারে। যার কার্ড সেই ব্যাক্তিই চাল নিবে অন্য কেউ না আসেন। দরকার হলে ভিডিও করে মনিটরিং করা হবে।

জেলা খাদ্য কর্মকর্তা এস এম তাহাসিনুল হক বলেন, এলোমেলো ভাবে বিশৃঙ্খলা হয়, তাই কার্ড সিস্টেমের মাধ্যমে চাউল বিতরন করা হবে। সাধারণত কার্ড পাবে শ্রমজীবী সম্প্রদায়, ছোট দোকানী, ভ্যান চালক, তৃতীয় লিঙ্গ, বাসের হেলপার, হোটেলবয়। প্রত্যেক ডিলারের নিজে উপস্থিত থেকে গুদাম থেকে চাল বুঝে নিতে হবে, পরে কোন অভিযোগ গ্রাহ্য করা হবেনা।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন
Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInPrint this page

মন্তব্য

comments


সর্বশেষ  
জনপ্রিয়