বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং, ৮ আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আজ বুধবার | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

নড়িয়ার ভোজেশ্বরে কোন উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২০ | ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ | 201 বার

নড়িয়ার ভোজেশ্বরে কোন উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু

শরীয়তপুর নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের বাসিন্দা ক‌রোনার উপসর্গ নি‌য়ে সাবেক এক হোটেল ব্যবসায়ীর মৃত্যু হ‌য়ে‌ছে ।

মঙ্গলবার ১৪ই এ‌প্রিল রাত সা‌ড়ে ৭টার দি‌কে ন‌ড়িয়া উপ‌জেলার ভোজেশ্বর বাজারস্থ নিজ বা‌ড়ি‌তে ৫৫ বছর বয়সি এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

‌ঘটনা‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে এক‌টি প্রেস বিজ্ঞ‌প্তি প্রকাশ ক‌রে‌ছেন, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক কাজী আবু তা‌হের। প্রেস বিজ্ঞ‌প্তি‌তে জানা‌নো হয়, ক‌য়েক‌দিন ধ‌রে ওই ব্যক্তি জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগ‌ছি‌লেন। কিন্তু গত সোমবার থে‌কে তার ডায়রিয়া শুরু হয়। এরপর মঙ্গলবার রা‌ত সা‌ড়ে ৭টার দি‌কে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর ওই বৃ‌দ্ধের নমুনা সংগ্রহ ক‌রে‌ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

পাশাপা‌শি ওই বা‌ড়িসহ ক‌য়েক‌টি বা‌ড়ি লকডাউন ঘোষনা করা হ‌য়ে‌ছে। তারা মর‌দেহ দাফ‌নের জন্য গ‌ঠিত ক‌মি‌টি‌কে নি‌র্দেশ দেওয়া হ‌য়ে‌ছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে জানাজা পড়িয়ে ভোজেশ্বর বাজার নিজ বাড়ীর নিকট মসুরা কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ভোজেশ্বর বাজারের স্থানীয়রা জানান, মোঃ সেলিম খান ছোট সময় থেকে ফুটবল খেলা চর্চা করতেন। ফুটবল খেলোয়াড়ের পাশাপাশি হোটেল ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন, হোটেল ব্যবসায় বেশিদিন স্থায়িত্ব হতে পারেননি। মন্দা ব্যবসার কারণে হোটেল ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে জীবিকার তাগিদে স্ত্রী ও সন্তানের কথা চিন্তা করে নাইট প্রহরীর চাকরি করতেন। মৃত্যুকালে ২টি শিশু সন্তান ও এক স্ত্রী রেখে গেছেন।

স্থানীয় খালেদা আফসার ওরফে বাবু বেপারী জানান, সেলিম খান
খুবই সাদা মনের মানুষ। সর্বদাই হাসিখুশি থাকতো। ছোটবেলা থেকে খেলাধুলা করতেন যেখানে সেখানে। স্থানীয় পূর্বাশা বয়েজ ক্লাবের একজন নিয়মিত ফুটবল খেলোয়াড় ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকাবাসী গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

সেলিম খানের ঘনিষ্ঠ জামাল শেখ বলেন, সেলিম খান খুবই ভালো একজন মানুষ ছিলেন, তিনি একসময় ভোজেশ্বর বড় হোটেলের মালিক হিসেবে আমরা সবাই জানতাম। বেশ কিছু বছর ব্যবসা করার পরে হোটেল ব্যবসায় লোকসান হওয়ায় ব্যবসাটি ছেড়ে দিয়েছেন। পরবর্তীতে ভোজেশ্বর পাইলট মোর বাজারটিতে রাত ১১ টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত পাহারা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। আমার জানামতে তিনি নামাজ কাজা করেননি। তার দুই ছেলে এক মেয়ে ও স্ত্রী রয়েছে। বড় শিশু সন্তান বয়স ৭ বছর, শিশু কন্যা ৫ বছর ও শিশু সন্তান ১৪ মাস বয়স হবে। বর্তমানে স্বামী ছাড়া গৃহবধূ তিনটি সন্তান নিয়ে বাঁচা খুব দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন
Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInPrint this page

মন্তব্য

comments


সর্বশেষ  
জনপ্রিয়