মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২০ ইং, ১৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আজ মঙ্গলবার | ২ জুন, ২০২০ ইং

শরীয়তপুর পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে জীবাণুনাশক স্প্রে

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২০ | ৮:০১ অপরাহ্ণ | 151 বার

শরীয়তপুর পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে জীবাণুনাশক স্প্রে

শরীয়তপুরে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকতে পুলিশ সুপার এস. এম. আশরাফুজ্জামানের নেতৃত্বে শরীয়তপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে শরীয়তপুর জেলা শহরের পালং মডেল থানা এলাকার প্রেমতলা থেকে মনোহরবাজার হয়ে আঙ্গারিয়া মহাসড়কে এবং বাজার, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০ টার সময় পুলিশ সুপার এস. এম. আশরাফুজ্জামানের নির্দেশক্রমে পালং মডেল থানা চত্ত্বর হতে এ জীবাণুনাশক স্প্রে শুরু করা হয়েছে।
শরীয়তপুর জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(নড়িয়া সার্কেল) মো: মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) তানভীর হায়দার শাওন, সহকারী পুলিশ সুপার(শিক্ষানবিশ) আদনান ও ইমরুল, পালং মডেল থানা ওসি আসলাম উদ্দিন, ডিবি ওসি কবিরুল ইসলাম, জেলা বিশেষ শাখা ডিআইও-১ আজহারুল ইসলামসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, ফোর্সবৃন্দ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জিজ্ঞাসাবাদে বলেন, স্বাস্থ্যবিভাগ, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, ইকবাল হোসেন অপু ও নাহিম রাজ্জাক এমপি’র নির্দেশনায় আমরা শরীয়তপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জনগণের মাঝে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ওষুধ, কাঁচামাল, খাদ্যদ্রব্য ও প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া জেলার সকল শপিংমল, হোটেল, ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকানসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।
উল্লেখ্য, শরীয়তপুরে ২৭ মার্চ পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হোম কোয়ারেন্টিনের আওতায় আনয়ন নিয়ে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে অবমুক্তসহ জেলায় এখন মোট হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ৩৪৬ জন।
এদিকে শরীয়তপুরে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ওষুধ, কাঁচামাল, খাদ্যদ্রব্য ও প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া জেলার সকল শপিংমল, হোটেল, ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকানসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাসহ জেলায় যাতে কোথাও জনাসমাগম না হয় সেজন্য কাজ করছে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও সেনা বাহিনী।
তবে নড়িয়া উপজেলায় ইতালিপ্রবাসী বেশি হওয়ায় সেখানে বেশি গুরুত্ব দিয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী কাজ করছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি সকলকে অপ্রয়োজনীয় কারণে বাসা থেকে বের হতে নিষেধ করেছে সেনা বাহিনী।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন
Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInPrint this page

মন্তব্য

comments


সর্বশেষ  
জনপ্রিয়