বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০ ইং, ১৩ কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আজ বুধবার | ২৮ অক্টোবর, ২০২০ ইং

উচ্চমূল্যে আলু বিক্রি করছে শরীয়তপুরের ব্যবসায়ীরা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০ | ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ | 22 বার

উচ্চমূল্যে আলু বিক্রি করছে শরীয়তপুরের ব্যবসায়ীরা

শরীয়তপুরের খুচরা বাজারে সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে ৪৫/৫০ টাকা দরে আলু বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার ১৬ অক্টোবর সকালে জেলার প্রধান বাজার পালং, আংগারিয়া ও মনোহর বাজার ঘুরে আলু বিক্রির এই দৃশ্য দেখা যায়।

বাজার গুলোর অধিকাংশ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যতালিকা নেই। তাছাড়া ক্রয় রশিদ ও বিক্রয় রশিদ ক্রেতাদের দেয়া হয় না।

এদিকে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এর সহকারী পরিচালক সুজন কাজী শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাজার তদারকি অভিযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যতালিকা, ক্রয় রশিদ, বিক্রয় রশিদ ইত্যাদি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবসায়ীদের নির্দেশনা প্রদান করলেও তা মানছেনা ব্যাবসায়ীরা।

বাজারের বিক্রেতা সরকারের (কৃষি বিপণন অধিদফতর) নির্ধারিত দাম এখনও মানছেন না। তারা নানা অজুহাতে খুচরায় এখনও ৪৫/৫০ টাকা কেজিদরে আলু বিক্রি করছেন।

এদিকে সরকারের নির্ধারিত দামে আলু বিক্রি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। আর বিক্রেতা বলছেন, আগের দামে আলু কেনায় সরকারের নির্ধারিত দামে আলু বিক্রি করলে তাদের লোকসানে পড়তে হবে। তবে কম দামের আলু বাজারে এলে তখন তারা কম দামে আলু বিক্রি করবে।

সরকারের নির্ধারিত দামে আলু বিক্রি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে পালং বাজারের ক্রেতা অ্যাডভোকেট মুরাদ মুন্সি জানান, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে আলুর দাম বাড়িয়েছেন। নির্ধারিত দামে আলু বিক্রি করা হচ্ছে না। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখাচ্ছেন। এ বিষয়ে সরকারকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেন এ ক্রেতা।

সরকারের নির্ধারিত দাম না মানার বিষয়ে আংগারিয়া বাজারের বিক্রেতা জামাল হোসেন জানান, আমার প্রতিকেজি আলু কেনা আছে ৪৬ থেকে ৪৮ টাকায়। এর মধ্যে অন্যান্য আরও খরচ আছে। তাহলে আমি কীভাবে ৩০ টাকায় আলু বিক্রি করবো?

এর আগে বুধবার (১৪ অক্টোবর) প্রতিকেজি আলুর দাম হিমাগারে ২৩ টাকা, পাইকারিতে ২৫ টাকা এবং খুচরা বাজারে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি নিশ্চিত করতে সারাদেশের জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।

জেলা কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন আব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর সভাপতি বেলাল হোসেন খান বলেন, আলু বেশি দামে বিক্রির খবর আমার জানা নেই। আমি বক্তব্য দিলে ভোক্তা অধিকার এর বিরুদ্ধে বলবো। এ বিষয়ে আমি আপনার সাথে বিকেলে কথা বলবো।

এ বিষয়ে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক সুজন কাজী বলেন, প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং করছি। শুধু শরীয়তপুর না সাড়া বাংলাদেশেই এরকম অবস্থা। এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া বক্তব্য দেয়া যাবে না।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন
Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInPrint this page

মন্তব্য

comments


সর্বশেষ  
জনপ্রিয়