রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং, ৫ আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আজ রবিবার | ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে প্রাকৃতিক দূর্যোগ সহনীয় রাষ্ট্রে পরিণত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ | 47 বার

২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে প্রাকৃতিক দূর্যোগ সহনীয় রাষ্ট্রে পরিণত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান

দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এমপি বলেছেন, প্রতিবছর প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও নদী ভাঙ্গন মোকাবেলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হয়। এ সকল দূর্যোগে হাজার হাজার মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে। এই প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও নদী ভাঙ্গন রোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডেল্টাপ্লান ঘোষনা করেছেন। যারমধ্যে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে প্রাকৃতিক দূর্যোগ সহনীয় রাষ্ট্রে পরিণত করা হবে এবং পদ্মানদী সহ দেশের সকল নদী ভাঙ্গন স্থায়ীভাবে রোধ করবেন ২০৩০ সালের মধ্যে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ৩৭ বিলিয়ন ডলার খরচ হবে। প্রতিবছর ৭ বিলিয়ন করে খরচ করে দশ বছরে নদীগুলো শাষন করা হবে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা আজিজিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহেরের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম এমপি, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল মামুন শিকদার, ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির মোল্যা ও নড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান খোকন। এছাড়া চরআত্রা ইউপি চেয়ারম্যান সেলিনা রতন, নওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ আজগর সোহেল মুন্সী, চরআত্রা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুন্সী খলিলুর রহমান, নওপাড়া ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান মুন্সী জাকির হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

২০১৮ সালে নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার আট কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পদ্মার ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙনে ওই এলাকার সাড়ে পাচ হাজার পরিবার গৃহহীন হয়। নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ অসংখ্য স্থাপনা বিলিন হয়ে যায়। ভাঙন ঠেকাতে এক হাজার ৯৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয় সরকার। যার মধ্যে ৫৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে নড়িয়ার সুরেশ্বর হতে জাজিরার কায়ুম খার বাজার পর্যন্ত ৮ দশমিক ৯ কিলোমিটার অংশে নদীর তীর রক্ষার কাজ। বাকি টাকা দিয়ে নদীর চর খনন করা হবে। ওই বছর ডিসেম্বর থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। এ পর্যন্ত প্রকল্পটির ৪২ শতাংশ কাজ শেষে হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া কথা রয়েছে। এই প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে আসেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এমপি, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম এমপি ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক।

সকাল ১০ টায় নড়িয়া উপজেলার মুলফৎগঞ্জ পৌছে পদ্মা নদীর ডানতীর রক্ষা প্রকল্প পরিদর্শন করেন তারা। এরপর মুজিববর্ষ উপলক্ষে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চত্ত¡রে বৃক্ষরোপন কর্মসুচির উদ্বোধন করেন। পরে সুরেশ্বর প্রকল্পের বেড়িবাধ ও সুরেশ্বর দরবার শরীফ পরিদর্শন শেষে পদ্মার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা আজিজিয়া উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত সুধী সমাবেশে অংশ নেন তারা।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন
Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInPrint this page

মন্তব্য

comments


সর্বশেষ  
জনপ্রিয়