মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০ ইং, ২৭ শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আজ মঙ্গলবার | ১১ আগস্ট, ২০২০ ইং

নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদার বাজার শরীয়তপুরের ‘তামিম ফ্যামিলি ফুড সেন্টার’

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২০ | ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ | 27 বার

নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদার বাজার শরীয়তপুরের ‘তামিম ফ্যামিলি ফুড সেন্টার’

শরীয়তপুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদার বাজার ‘তামিম ফ্যামিলি ফুড সেন্টার’। একই ছাদের নিচে ‘তামিম ফ্যামিলি ফুড সেন্টার’ এ কাঁচাবাজার, মুদি পণ্য, মানসম্মত প্রসাধনী, মুখরোচক খাবার, মাছ-মাংস, কাঁচা ও শুকনো ফল, শিশুদের খাবার ও প্রসাধনী, নারীদের নানা পরিচ্ছন্নতার উপকরণ, এমনকি হাঁড়িপাতিল, ঘর সজ্জার সবই পাওয়া যায়।

এ তো গেল পণ্যের সমাহারের বিষয়টি। সেখানকার পরিবেশও গোছানো। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, বিক্রেতাদের ভদ্র আচরণের কারণে চাহিদা বাড়ছে নিত্যদিন। শরীয়তপুরের মতো মফস্বল শহরে এই প্রথম বাজার করার ধারণাকে আমূল পাল্টে দিচ্ছে ‘তামিম ফ্যামিলি ফুড সেন্টার’ নামের এ ‘সুপার শপ’টি। ‘তামিম ফ্যামিলি ফুড সেন্টার’ এ এসে ক্রেতারা খুশি। কারন, তারা একসাথে চাহিদা মোতাবেক সকল পণ্য ক্রয় করতে পারছে।

উন্নত বিশ্বে বহু আগে থেকে সুপার শপ চালু থাকলেও আমাদের দেশে এই ধারণাটা নতুনই বলা চলে। গত দশকের গোড়ার দিকে মূলত আমাদের দেশে সুপার শপের যাত্রা শুরু।

এখানে বিক্রেতারা পরিপাটি পোশাকে থাকে, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া তরুণ-তরুণীও। এদের সম্বোধনে থাকে সম্মান।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে ধানমন্ডিতে আগোরার একটি স্টোরের মধ্য দিয়ে পথচলা শুরু করে দেশের রিটেইল চেইন ইন্ডাস্ট্রি। উচ্চবিত্তদের কেনাকাটার স্থান হিসেবে শুরু হলেও এখন মেগাসিটির বহু মধ্যবিত্ত পরিবারের গন্তব্য আগোরা, মীনা বাজার, স্বপ্নর মতো সুপার স্টোর। ১৮ বছরের ব্যবধানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দেড় শতাধিক ছোট-বড় স্টোরের বার্ষিক বিক্রি এখন দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

‘তামিম ফ্যামিলি ফুড সেন্টার’-এর মালিক মো: লিটন বেপারী দৈনিক রুদ্রবার্তাকে বলেন, ‘মানুষের হাতে সময় নেই। তার উপর প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো এক সঙ্গে পেতে ঝুঁকি পোহাতে হয়। সে কারণেই ক্রেতারা এখন কেনাকাটার জন্য বাজারের চেয়ে সুপার শপেই বেশি আসছে। বাজারের চেয়ে সুপার শপের পণ্যের মূল্য কম না বেশি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের পণ্যের মূল্য বাজারের মতোই। তবে বহু ক্ষেত্রে এটা বাজার দরের চেয়ে কম। সেই সঙ্গে মানের নিশ্চয়তা খুবই ভালো। তিনি আরও বলেন, আমি একজন কাতার প্রবাসী ছিলাম। দেশে এসে তামিম ইলেকট্রনিক্স শফিং সেন্টার নামে তিনটি শো-রুম করি। এটা আমার চতুর্থ প্রতিষ্ঠান। যার ২০২০ সালেই যাত্রা শুরু। ‘তামিম ফ্যামিলি ফুড সেন্টার’ এ অনেক আমি ইনভেস্টমেন্ট করেছি। টাকার দিক চিন্তা করে এটা আমি চালু করিনি। মূলত: মানুষের সেবার জন্েযই এটা চালু করেছি। এখনো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করিনি। এটা এখন পরীক্ষামূলক চালু হয়েছে।

‘তামিম ফ্যামিলি ফুড সেন্টার’ এ আসা ক্রেতারা জানান, শরীয়তপুরে নিত্যপণ্যের চাহিদা মেঠাতে এই সুপার শপটি হয়েছে। এখানে আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় ৯৯% পণ্য পাচ্ছি। তারা আরও জানান, এখানে বাজার করতে এসে আমরা খুশি। কারন, এখানে মানসম্মত ভালো পণ্য পাওয়া যায়।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন
Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInPrint this page

মন্তব্য

comments


সর্বশেষ  
জনপ্রিয়