আজ শনিবার | ২০ জুলাই, ২০১৯ ইং
| ৫ শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৬ জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী | সময় : সকাল ৭:৩৪

মেনু

মফস্বল সাংবাদিকরা সারাজীবন সবার কথা লিখলো কিন্তু তাদেরকে কেউ দেখলো না।

মফস্বল সাংবাদিকরা সারাজীবন সবার কথা লিখলো কিন্তু তাদেরকে কেউ দেখলো না।

শুক্রবার, ০৫ জানুয়ারি ২০১৮
১২:১৬ অপরাহ্ণ
147 বার

মফস্বল একটি আরবী শব্দ। এ মূল অর্র্থ হচ্ছে শহরের বাইরে যা কিছু আছে সবই মফস্বল। সে হিসেবে আমাদের দেশে শতকরা ৯০ ভাগ মফস্বল এলাকার মধ্যে। কোন কিছুর নামের সঙ্গে মফস্বল শব্দটি যোগ না হয়ে শুধু শহরের বাইরে অবস্থানরত সাংয়বাদিকদের নামের সঙ্গে এ বিশেষণ হিসেবে এ শব্দটি যোগ হয়ে গেল এবং তা প্রচলিত হয়ে গেল। দেশের ৯০ ভাগ মাটি, মানুষ, প্রকৃত ভাবে শহরের বাইরে অবস্থান করছে। সেখানে নানা শ্রেনি পেশার মানুষ রয়েছে। কোন পেশার সঙ্গেই মফস্বল শব্দটি যুক্ত নেই। উদহারণ স্বরূপ বলা যায়, যেমন চিকিৎসক। ইউনিয়ন পর্যায় এমন কী ওয়ার্ড পর্যন্ত এদের অবস্থান। কিন্তু এদেরকে মফস্বল ডাক্তার বা মফস্বল চিকিৎসক বলা হয় না। তদরুপ তৃণমূল পর্যায়ে অবস্থানকরী প্রকৌশলী কে মফস্বল প্রকৌশলী বলা হচ্ছেনা। উপজেলা পর্যায়ে অবস্থানকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের মফস্বল কর্মকর্তা-কর্মচারী বলা হচ্ছেনা। মফস্বল অবস্থানকারী ব্যবসায়ীদের মফস্বল ব্যবসায়ী বলা হচ্ছেনা। মফস্বলে অবস্থানকারী কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী কারো পেশার সঙ্গেই মফস্বল শব্দটি যুক্ত না, শুধু শহরের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মফস্বল শব্দটি যুক্ত হয়ে গেল কেন তা আমার বুঝে আসছেনা। কখন, কোথায়, কী ভাবে শহরের বাইরে অবস্থান কারী সাংবাদিকদের সঙ্গে মফস্বল শব্দটি যুক্ত হয়েছে সে ইতিহস আমার জানা নেই। তবে এতটুকু বুঝি যে, এটা আসলে মিডিয়া কর্তৃপক্ষেরই সৃষ্ট। মিডিয়া কর্তৃপক্ষ তাদের বার্তা বিভাগকে অযথা বিভাজন করতে গিয়ে মফস্বল বিভাগ নামে একটি খন্ডিত পার্ট নিয়ে এসে শহরের বাইরে অবস্থানকাররী সাংবাদিকদের মফস্বল সাংবাদিক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। আর সে থেকেই এ কলংকজনক শব্দটি শহরের বাইরে অবস্থানকারী সাংবদিকে সঙ্গে যুক্ত হয়ে সাংবাদিকতার মূল অর্গানোগ্রাম থেকে তাদেরকে পিছিয়ে দিয়েছে। মফস্বল শব্দটিকে আমি কলংকিত শব্দ বলার অর্থ হলো, আমরা যারা মফস্বলে সাংবাদিকতা করি তাদের দুঃখের কারণ এ শব্দটি। এ শব্দের মাধ্যমে আমাদের খাটো করা হয়েছে। এ শব্দের মাধ্যমে আমাদের অধিকার বঞ্চিত করা হয়েছে। যার কারণে আমরা মফস্বল সাংবাদিকদের কোন প্রকার বেতন ভাতা ছাড়াই মিডিয়া কর্তৃপক্ষের মর্জি মাফিক খেয়ে না খেয়ে জীবন বাজী রেখে ২৪ ঘন্টা কাজ করে যেতে হচ্ছে। এ কাজের আবার কোন রকম স্বীকৃতিও নেই।
স্বীকৃতি নেই এ কারনে যে, তারা মফস্বল সাংবাদিক। শহর বলতে আবার রাজধানী ঢাকাকে বুঝানো হচ্ছে। এর বাইরে যা আছে সবই মফস্বলের আওতাধীন। কিন্তু নগরায়নের এই যুগে শহর গ্রামের তেমন কোন পার্থক্য নেই বললেই চলে। এখন শহর আর গ্রামের তেমন কোন পার্থক্য নেই। এ পার্থক্য অন্য কোন সেক্টরেও নেই। শুধু সাংবাদিকতা সেক্টরেই এটা চলে আসছে। বিনা পয়সায় কামলা খাটানোর জন্যই এটা চলছে। তা না হলে এ বৈষম্যের অবসান হতো। গোটা বাংলাদেশই একটি রাষ্ট্র, একটি দেশ, একটি পরিবার। আমরা যখন আমাদের জাতীয় পরিচিতি লিখি তখন বাংলাদেশই লিখি। শহুরে বাংলাদেশ কিংবা মফস্বল বাংলাদেশ লিখি না। ৫৫ হাজার ৫ শত ৯৮ বর্গমাইলের এই দেশ। ১৬ কোটি মানুষের এই দেশ। রাস্ট্রের সংবিধানের সকলের সম অধিকারের কথা বলা হয়েছে। কেউ ছোট-কেউ বড়, কেউ শহরের কেউ মফস্বলের এমনটি বলা হয়নি। ১৯৭১ সনে তৎকালীন পাকিস্তানীদের বৈসম্য বিভাজনের বিরুদ্ধে শুধু শহরের মানুষই যুদ্ধ করেনি, শহরের সাংবাদিকরাই শুধু লিখেনি। সারা দেশের মানুষ, সারা দেশের সাংবাদিকরা যুদ্ধ করেছেন, লিখেছেন। এখনো সারা দেশের সাংবাদিকগন লিখে যাচ্ছেন। সেদিন মফস্বলের সাংবাদিকরা যার-যার এলাকা থেকে যার-যার অবস্থান থেকে সংবাদ পরিবেশন করেছে। আজও করেছেন। এরপরেও বিভাজন বৈসম্য বিদ্যমান। মফস্বলে থেকে সংবাদ পরিবেশন করে তারা বেতন পাবেনা, স্বীকৃতি পাবেনা এটা কোন সভ্য জাতীর কর্ম হতে পারেনা। মফস্বল সাংবাদিকরা ৪৬টি জেলা থেকে সরকার ও রাষ্ট্রের সমস্যার সম্ভাবনার কথা তুলে না ধরলে রাষ্ট্রের প্রকৃত অবস্থা অন্ধকারেই থেকে যেত। মুক্তিযোদ্ধের সময় মফস্বল সাংবাদিকরা মফস্বল মুক্তিযোদ্ধের সফলতা, ব্যর্থতা তুলে না ধরলে কী হতো তা ভেবে দেখা দরকার। শুধু ঢাকা বসে সাংবাদিকতা করলেই সাংবাদিক আর অন্য যারা আছে তারা সাংবাদিক নয় এ ধারণা থেকে সাংবাদিক সহ সরকারের সরে আসতে হবে।

মিডিয়া কর্তৃপক্ষ একবিংশ শতাব্দীর সিকি পর্যায়ে অবস্থান করেও ঔপনিবেশ মনোভাব নিয়ে শহরের বাইরে অবস্থানকারী সাংবাদিকে শাসন শোষন করছেন। আমাদের না আছে বেতন ভাতা, না আছে চাকরীর নিরাপত্তা, না আছে স্বীকৃতি। এত না থাকার মাঝেও নানা প্রতিকুল অবস্থা মোকাবেলা করে আমরা টিকে থেকে দেশ, জাতী, জনতা, মা, মাটি মানুষের সেবা করে যাচ্ছি যুগ-যুগ ধরে। আমাদের এ সেবা অকৃত্রিম। আমাদের এ সেবা বিনামূূল্যে। আমরা কখনো সেবা মূল্য পাইনি শহরের বাইরে অবস্থান করার কারণে। কোনদিন পাবো কী-না নিয়তিই তা ভাল জানে। শহরে অবস্থানকারী সাংবাদিকগণ মিডিয়া কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে বেতন, ভাতা, গাড়ী, বাড়ি সহ সকল ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন। কিন্তু এ সংখ্য ১০ ভাগের বেশী না। ৯০ ভাগ সাংবাদিকই শহরের বাইরে অবস্থান করে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন। সে হিসেবে দেশের ৯০ ভাগ সাংবাদিক অবহেলিত, বঞ্চিত। একটা স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ৯০ ভাগ কলম যোদ্ধাদের বঞ্চিত করে রাখার কথা ভাবা যায় না। দেশের সব শ্রেনি পেশার মানুষ তাদের ন্যয্য অধিকার, ন্যয্য মজুরী, ন্যয্য স্বীকৃতি পেয়ে আসলেও কলম যোদ্ধা তাদের ন্যয় সঙ্গত অধিকার পাচ্ছেনা। এটা যে কত ভয়ংকর বৈষম্যের কষাঘাত তা কী কেউ ভেবে দেখেছেন ? এ বৈষম্য দেখিয়ে তা দুরীকরণের লক্ষ্যে দেশ স্বাধীন হয়েছে। পাকিস্তান সরকারের বৈষম্যমূলক নীতির কারণে আমাদের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে হয়েছিল । স্বাধীনতার চেতনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল একটি ক্ষুধা, দারিদ্র মুক্ত বৈষম্যহীন গনতান্ত্রিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরও কী বৈষম্য দুর হয়েছে, ক্ষুধা-দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পেয়েছি ? তা যদি পেতাম তা হলে আজকে আর নিজেদের কথা লিখতে কলম ধরতে হতোনা। আমি একজন মষস্বল সাংবাদিক। আমি বুঝি মফস্বল সাংবাদিকদের ভাষা। আমি তাদের চোখের ভাষা বুঝি, মুখের ভাষা বুঝি। তাদের হৃদয় কী বলে আমি তা শুনতে পাই। স্বাধীনতার পর ৪৬ বছর অতিবাহিত হয়ে গেল। এর পরও মফস্বল বিশেষণে ভূষিত সাংবাদিকরা কী-খাবে, কী পড়বে, কোথায় ঘুমাবে, তাদের সন্তান-সন্তাতিদের কী-হবে, পরিবার পরিজনের কী-হবে সে কথা কেউ ভাবলোনা, কেউ মনে করলোনা। অথচ, মফস্বল সাংবাদিকরা সার জীবন সবার কাথা লিখে গেল, সবার কথা ভেবে গেল। এটা খুব নির্মম রশিকতা। আজ যদি বলি শহরের বাইরে থেকে কোন সংবাদিক কলম ধরবেনা, কোন সাংবাদিক সংবাদ পরিবেশন করবে না তা হলে কোন মিডিয়া কী চলবে ? দেশ জাতি কী সঠিক কোন বার্তা পাবে ? মফস্বল সাংবাদিকরা না লিখলে মুহূর্তেই দেশ অচল হয়ে যাবে, মিডিয়া বন্ধ হয়ে যাবে, সরকার স্থবির হয়ে পড়বে, জনমানবের স্পন্দন থেমে যাবে। এ কথা কী কেউ ভেবে দেখেছেন ? দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, জাতি এগিয়ে যাচ্ছে আর শহরের বাইরে অবস্থানরত সাংবাদিকরা পিছিয়ে পড়ছে। এ অবস্থা আর চলতে দেয়া যায়না। ৯০ ভাগ সাংবাদিকদের অভুক্ত রেখে দেশ চলতে পারে না। অবশ্যই মফস্বল সাংবাদিকের ন্যয্য দাবী দাওয়া পুরণ করতে হবে। এ টা না হলে প্রয়োজনে মফস্বল সাংবাদিকগণ তাদের চিরায়েত পেশা সাংবাদিকতা ছেড়ে রিক্সা চালাবে। কারণ, একজন রিক্সা চালক সারাদিন খেটে দিন শেষে তার ন্যয্য মুজুরী নিয়ে বাসায় ফিরে। আর মফস্বল সাংবাদিকরা বলতে গেলে ২৪ ঘন্টা খেটে খালি হাতে বাড়ি যাবে এটা হতে পারে না। এর বিহীত করা প্রয়োজন, আর এর বিহীতের জন্য দরকার শহরের বাইরে অবস্থানকারী মফস্বল সাংবাদিকদের ইস্পাত কঠিন ঐক্য। এ ঐক্য প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)। আমাদের সাংবাদিকতার ইতিহাস অতি পুরাতন। প্যপিরাজ গাছের ছালে সংবাদ লিখে পেপার ও সাংবাদিকতার দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। তার পর অনেক সময় গড়িয়ে গেছে। অনেক পরিবর্তন পরিবর্ধনের মাধ্যমে সংবাদিকতার বাতায়ন সাজানো হয়েছে। গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতা একটা রাষ্ট্রের অন্যতম স্তম্ভ। এ স্তম্ভ সারা পৃথিবীতে শক্তিশালী হলেও আমাদের দেশে তা অনেকাংশে দুর্বল ক্ষেত্র বিশেষ নতজানু। এ দূর্বলতার জন্য আমরাও কম দায়ী নই। আমরা কখনই ঐক্য বদ্ধ হতে পারিনি। আজো আমরা ঐক্য নই। আমরা নানা দলে, নানা ইজমে, নানা মতবাদে বিভক্ত। বিভক্তি যতই থাকুক অন্তত পেশাগত ন্যয্য দাবী আদায়ে লক্ষ্যে আমাদের ঐক্য বদ্ধ থাকা উচিৎ ছিল। এ ঐক্য গঠনের সুযোগ এখনো নষ্ট হয়ে যায়নি। আমরা একটু উদার হলেই ঐক্য হতে পারি। আর আমাদের ঐক্য বদ্ধ প্রয়াশই দিতে পারে আমাদের ন্যয্য অধিকার। আমাদের বিভাজন ও অনৈক্যের সুযোগে যুগে-যুগে আমরা মার খাচ্ছি, অধিকার বঞ্চিত হচ্ছি, স্বীকৃতি পাচ্ছিনা। আমাদের ন্যয্য অধিকার স্বীকৃতি আদায়ের এক মাত্র সংগঠন (বিএমএসএফ)। বিএমএসএফ মফস্বল সাংবাদিকের দাবী আদায়ের এক মাত্র সংগঠন। দেশে অনেক সাংবাদিক সংগঠন আছে। কিন্তু সকল সংগঠনই শহর কেন্দ্রীক। প্রতিটি সংগঠনই আঞ্চলিক কার্যক্রমে ব্যস্ত। সে হিসেবে বিএমএসএফ ব্যক্তিক্রমধর্মী একটি সংগঠন। এ সংগঠনের অর্গানোগ্রাম জাতীয় পর্যন্ত থেকে তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত। এ সংগঠননের ব্যাপ্তী সারা বাংলাদেশ ব্যাপী। পেশাদার মফস্বল সাংবাদিকগনই এ সংগঠনের সদস্য হওয়ার যোগ্য। এ সংগঠনের মাধ্যমে ১৪ দফা দাবী পেশ করা হয়েছে। ১৪ দফা দাবী সম্পুর্ন ন্যয্য ও ন্যয় সঙ্গত। এ ন্যয্য ও ন্যয় সংগত দাবী পুরণের মাধ্যমে চির বঞ্চিত, অবহেলিত মফস্বল সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমার বিশ্বাস। এ বিশ্বাসের সঙ্গে সারাদেশের মফস্বল সাংবাদিকগণ ঐক্য মত পোষন করে ঐক্য বদ্ধ হবেন এ প্রত্যাশাই করি। আজ আমাদের ঐক্য বদ্ধ হওয়া প্রয়োজন আমাদের নিজেদের স্বার্থেই। আমাদের ন্যয় সংগত দাবী আন্দোলন সংগ্রমা ছাড়া আদায় করা সম্ভব নয়। এ দাবী আদায়ের আন্দোলনে সকলে ঐক্য বদ্ধ অংশ গ্রহণ চাই। জেলায় জেলায় বিএমএসএফ এর শাখ কমিটি চাই সে সঙ্গে দবী আদায়ের আন্দোলনে অংশগ্রহন করার জন্য প্রস্তত থাকতে হবে। কেন্দ্র থেকে ডাক পড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাবী আদায়ের আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। এর কোন বিকল্প নেই। এটা আমাদের রুটি রুজির সংগ্রাম। এর সাথে কোন আপোষ নেই। আমাদের ন্যয্য অধিকার দিতেই হবে। আমাদের অভুক্ত রেখে কেউ ভোগ বিলাশ করতে পারবে না। আমরা তা হতে দেবনা। আমরা ৯০ ভাগ। আমরা গর্জে উঠলে সব কিছু থেমে যাবে। মফস্বল সাংবাদিক হিসেবে গন্য আমাদের কপালে কালিমা লেপনের দিনের অবসান ঘটাতে হবে। তা না পারলে পেশা ছেড়ে দিতে হবে। কেন মফস্বল সাংবাদিকগণ তাদের ন্যয্য অধিকার পাবেনা ? কেন তারা বেতন ভাতা পাবেনা? কেন তারা চাকরীর নিরাপত্তা পাবেনা ? রাষ্ট্র বা সরকার কী জবাব দিতে পারবে ? পারবে না। কারণ এটা অবিচার বৈষম্য, অনৈতিক। শহরের সংবাদিকরা যে যোগ্যতা নিয়ে কাজ করেন মফস্বল সাংবাদিকদেরও তেমন যোগ্যতা রয়েছে। শহরের সংবাদিকদের চাইতে মফস্বল সাংবাদিকদের ঝুকি অনেক বেশী। কর্ম সুবিধা মফস্বলে নেই বললেই চলে শহরে যা আছে। এর পর শহরের সংবাদিকরা সব পাচ্ছে আর মফস্বল সাংবাদিকরা কিছুই পাচ্ছেন না। এ না পাওয়ার শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করে বিএমএসএফ-এর পতাকা তলে এক হয়ে বিএমএসএফ ঘোষিত ১৪ দফা দাবী আদায়ের মিছিলে, শ্লোগানে, সভার -সমাবেশে, আন্দোলন-সংগ্রামে সকল মফস্বল সাংবাদিককে ঐক্য বদ্ধ অংশ গ্রহন চাই।
¬¬¬¬
লেখক: সাংবাদিক শহীদুল ইসলাম পাইলট, সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক রুদ্রবার্তা, শরীয়তপুর। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ), ঢাকা।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন
Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInPrint this page

মন্তব্য

comments