আজ শুক্রবার | ২৩ আগস্ট, ২০১৯ ইং
| ৮ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী | সময় : সকাল ৬:২৩

মেনু

শরীয়তপুরবাসীর হৃদয়ে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে পুলিশ সুপার কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন

শরীয়তপুরবাসীর হৃদয়ে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে পুলিশ সুপার কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন

শুক্রবার, ০৫ জানুয়ারি ২০১৮
১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
126 বার

সততা, দক্ষ্যতা, ন্যয় পরায়নতা মানুষকে উচ্চতার শিখরে পৌঁছে দেয়। নশ্বর পৃথিবীতে কোন কিছুরই অস্তিত্ব থাকে না। এক দিন সব কিছু ধ্বংস স্তুপে পরিনত হয়। ধন-দৌলত, গাড়ি-বাড়ি, ভোগ-বিলাশ ক্ষণিকের। এর মাধ্যমে কিছু সময় পরম শান্তি, চরম তৃপ্তি অনুভব করা যায় কিন্তু, স্থায়ী হয় না। মহাকালের ¯্রােতে একদিন সবই ভেসে যায়। থাকে চরিত্র, মহত্ব ও মানুষত্ব। মানবিক গুনাবলী, সৎ কর্ম মানুষকে চিরদিন বাঁচিয়ে রাখে। চিরদিন ঁেবচে থাকার এ মন্ত্র খুব কম মানুষই ধারণ করে। যারা করে তারা অমর হয়ে থাকে। যারা পারে না তারা পঁচে গলে নিঃশেষ হয়ে যায়। এ বিষয়টি ভাল ভাবেই উপলব্দী করতে পেরেছেন আমাদের পুলিশ সুপার কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন। এক জন সৎ, দক্ষ্য, মানবিক গুনাবলী সম্পন্ন ন্যয়পরায়ন সু-বিবেচক, সজ্জন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘ দিন শরীয়তপুরে দায়িত্ব পালন করে শরীয়তপুর বাসীর আপনজন হিসেবে তাদের হৃদয়ে চির ভাস্বর হয়ে থাকবেন তিনি। শরীয়তপুরবাসী শ্রদ্বাবনত চিত্তে তাকে চিরদিন স্মরণ করবে। চির স্মরণীয়, চির বরণীয় পুলিশ সুপার কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন এর নিকট থেকে পদ্মা পাড়ের, চির অবহেলিত শরীয়তপুর জেলার আপামর জনসাধারণ যে সেবা, যে ভালবাসা পেয়েছে তা ভোলার মত না। পুলিশ সুপার কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন কে শরীয়তপুরের মাটি-মানুষ কোনদিন ভুলবেনা। অনন্য গুনাবলী সম্পন্ন চৌকস, স্মার্ট, আধুনিক, মেধায় মননে পরিপক্ক সাইফুল্লাহ আল মামুন পুলিশ সুপার হিসেবে শরীয়তপুরে যোগদান করে শত ভাগ সততা, দক্ষ্যতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সকল ধরণের সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ দমন ও মাদকের বিস্তার বোধ করে জনমনে স্বস্তি দিয়ে ব্যাপক প্রসংশা, শ্রদ্ধা ও ভালবাসা অর্জন করতে স্বক্ষম হয়েছেন। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স তিনি। মাদকের বিরুদ্ধে তার ভূমিকা অনবদ্ধ, অনন্য। তার পূর্বে কেউ মাদকের বিরুদ্ধে এত বেশী ভূমিকা রাখতে পারেন নি। জেলা পুলিশ বাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতা করে তাদের কে যেভাবে সক্রিয় রেখেছেন তা বিস্ময়কর ব্যাপার। তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ের মধ্যে শরীয়তপুররে উল্লেখ যোগ্য কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সংগঠিত হতে পারেনি। করিৎকর্মা পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন নানা গুনে গুনান্বিত। একাধারে তিনি একজন দক্ষ্য ও মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তা, খ্যাতীমান কবি, প্রসিদ্ধ স্থাপতি। কখনো প্রশাসনিক কাজে, কখনো কবিতার বাতায়নে, কথনো সৃষ্টির ক্যনভাসে তার সমভাবে বিচরণ ছিল দেখার মত। কবিতা, প্রশাসন, নির্মাণ ত্রিমাতৃক গুনাবলী সম্পন্ন সাইফুল্লাহ আল মামুন তিন সেক্টরেই সফল। এ সফল, স্বার্থক, সুন্দর মানুষটি ১৯৭১ সনে ময়মন সিংহ বিভাগের নেত্রকোনা জেলার অন্তগত পূর্বধোলা উপজেলাধীন জালসুকা কুমুদগঞ্জ গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তর পিতার নাম: আলহাজ্ব এম এ হামিদ, মাতা ফিরোজা বেগম। ১৯৮৬ সালে তিনি জে কে উচ্চ বিদ্যালয়, শ্যমগঞ্জ, নেত্রকোনা থেকে সফলতার সঙ্গে এসএসসি পাশ করেন। ১৯৮৮ সালে ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজ থেকে তিনি সফলতার সঙ্গে এইচএসসি পাশ করেন। এর পর তিনি উচ্চ শিক্ষার জন্য জন্য বুয়েটে ভর্তি হন । বুয়েট থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভের পর ঔঅঈঅ (জাইকা)’র মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ক্রিমিনোলজি এন্ড ক্রিমিন্যাল জাস্টিস’ এ মাস্টার ডিগ্রী অর্জন করেন। ২০০১ সালে বিসিএস পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিসে যোগদান করেন। বর্তমানে শরীয়তপুর জেলার এসপি হিসেবে কর্মরত আছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সদস্য হিসেবে সুদানের দরফুরে অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ছাত্র জীবনে সাইফুল্লাহ আল মামুন ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। শিক্ষা জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি ব্যাপক সফলতার পরিচয় দিয়ে সকল মহলের সুনাম সুখ্যাতী অর্জন করে নিজকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সাইফুল্লাহ আল মামুন আজ প্রতিষ্ঠিত ব্যত্তিত্ব। এ প্রতিষ্ঠা লাভের পেছনে তার একাগ্রতা, সততা, কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অধ্যাবসয়ের ভূমিকা যথেষ্ট। জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে হলে যা কিছু দরকার সবই ছিল তার মাঝে। কোন কিছুর ঘারতি ছিলনা বলেই তিনি আজকের অবস্থানে এসেছেন। তিনি যখন যেখানে যে অবস্থানে ছিলেন সর্ব ক্ষেত্রেই নিজের প্রতিভা বিকাশে সক্ষম হয়েছেন। আপন প্রতিভার গুনে সাহসাই সফলতা তার কাছে ধরা দিয়েছেন। মানুষের জীবনে সফলতা ও ব্যর্থতা দুটাই থাকে। তবে জীবনে সফলতার ক্ষেত্র থেকে ব্যর্থতার ক্ষেত্র অনেকেরই বেশী। কিন্তু সাইফুল্লাহ আল মামুনের জীবনে সফলতার ব্যাপ্তী অনেক বড়। ব্যর্থতা তেমন ভাবে তাকে গ্রাস করতে পারেনি। এ সফল মানুষটি বর্তমানে শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে সফল ভবে দায়িত্ব পালন করে চলছেন। সদালাপী, বন্ধুসলভ, কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন পুলিশ সুপার হিসেবে শরীয়তপুরে যোগদান করেই শরীয়তপুর পুলিশ বিভাগকে ঢেলে সাজানোর কাজে মনোনিবেশ করেন। তিনি তার স্থাপত্যকলা কাজে লাগিয়ে শরীয়তপুরের পুলিশ লাইন কে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত করে ঢেলে সাজিয়েছেন। শরীয়তপুর পুলিশ লাইন এখন দেশের একটি মডেল পুলিশ লাইন হিসেবে খ্যাতী লাভ করেছে তারই বদৌলতে। মনোরম দৃশ্যের অবতারণা করে পুলিশ লইনের প্রতিটি সেক্টর সাজিয়েছেন তিনি। তার নিজস্ব মডেল, নিজস্ব নকশা ডিজাইনের ছোঁয়ার পুলিশ লাইন এখন দর্শনীয় স্থান। শরীয়তপুর জেলা পুলিশ লাইনের গেইটে তার হাতের ছোঁয়ায় শোভা পাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। পুলিশ লাইনের ভেতরে দেয়ালে দেয়ালে শোভা পাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু, সহ চিরায়েত আবহমান বাংলার নানা কারুকাজ। তা ছাড়া পালং মডেল থানার সামনের গেইটের ডিজাইন সহ অন্যান্য থানা গেইটের ডিজাইন, এসপি’র বাস ভবন ও অফিসের দেয়ালের সামনের কারুকাজ, পুলিশ লাইন মসজিদ তার সুনিপুন স্থাপত্যের নিদর্শণ। তা ছাড়া তিনি এসপি হিসেবে শরীয়তপুরে যোগদান করার পর সকল পুলিশ স্টেশন গুলোতেই অধুনিকতার ছোঁয়া কম বেশি লেগেছে। তার তৎপরতায় গোটা পুলিশ বাহিনী ছিল সক্রিয়। পুলিশ বাহিনী সকল অভাব অভিযোগ তিনি চিহ্নিত করে তা সমাধানেরও উদ্যোগ নিয়েছেন। এ সব কাজ করতে তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ব্যাপক সহযোগিতা পেয়েছেন। বাংলাদেশ পুলিশের মহা পরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক বিপিএম.পিপিএম এর নিজ জেলা শরীয়তপুর হওয়ায় এসপি সাইফুল্লাহ আল মামুন তার আর্শীবাদ পেয়েছেন সকল ক্ষেত্রে। আইজি মহোদয়ের আস্থাভাজন ও বিশ্বস্ততাও তিনি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি আইজি মহোদয়ের পছন্দের এসপি। দায়িত্ব পালনে তিনি ছিলেন একনিষ্ঠ। শতভাগ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে তিনি তার উপর অর্পিত দায়িত্ব সফল ভাবে পালন করেছেন। গণ মানুষের সঙ্গে তার ছিল নিবিড় সম্পর্ক। যে কোন মানুষ যে কোন অভাব অভিযোগের কথা নিয়ে তার নিকট সহসাই যেতে পারতেন। তিনি ধৈর্য ধরে সকলের অভাব অভিযোগের কথা শুনে এবং সাধ্য মত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন। জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, সুশীল সমাজ, সাংবাদিক সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে তার মেলামেশা, আলাপচারিতা ছিল। জেলার মানুষের হৃদয় জয় করে নিতে তার বেশী সময় লাগেনি। জেলার গণমানুষের নিকট সুপরিচিত কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন ছিল সকলের ভরশা স্থল। যে কোন দুর্যোগ, দুর্বিপাকে পড়ে এসপি সাইফুল্লাহ আল মামুন স্যারের শরণাপন্ন হতেন শরীয়তপুরের মানুষ। তার নামের সঙ্গে কখন কী- ভাবে কবি শব্দটি যোগ হয়ে গেছে তা আমার জানা নেই। তবে তিনি কবি হিসেবে বুৎপত্তি অর্জন করতে স্বক্ষম হয়েছেন। অসংখ্য কবিতা লিখেছেন তিনি। সমাজ, দেশ, জাতি, নিয়ে লিখেছেন, অন্যায়-অবিচার, নির্যাতন নিয়ে লিখেছেন, প্রেম বিরহ ভালবাসা নিয়ে লিখেছেন, প্রকৃতি, কৃষ্টি কালচার নিয়ে লিখেছেন কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন। কবিতা লেখায় তিনি সিদ্ধ হস্ত। তার লেখা অসংখ্য কবিতা শরীয়তপুরের বিভিন্ন স্থানে শোভা পাচ্ছে। জাতীয় পত্র পত্রিকার তার অসংখ্য কবিতা প্রকাশ হয়েছে এবং হচ্ছে। এলোমেলো পান্ডুলিপি, জল জ্যোৎ¯œার অষ্টমী, একশত কবিতাংশ, ও জলের গহনা তার উল্লেখ যোগ্য কাব্য গ্রন্থ। তার সবশেষ প্রাকশিত কাব্য গ্রন্থ জলের গহনা কলকাতার অভিযান পাবলিশার্স প্রকাশ করেছেন। ক্ষ্যতীমান কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন কবিতার উপর পেয়েছে অসংখ্য পুরস্কার। কবিতা লিখে তিনি সকলের ভালবাসা ও প্রশংসা দু-ই কুড়িয়েছেন। শুধু কবিতার মধ্যেই তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেনি। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী সাইফুল্লাহ আল মামুন উপন্যাস লেখায়ও পারদর্শী। টাক জয়ের টাকটা গল্প তার প্রকাশিত উপন্যাসের নাম। প্রকাশনার অপেক্ষায় রয়েছে তার অনেক কবিতা , সাইবিতা ও উপন্যাস । আসলে কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন বহুমাত্রিক প্রতিভার জলন্ত উদাহরণ। তিনি অনেক নতুন ধারণার প্রবক্তা। ঞযবড়ৎু ড়ভ ওসধমব ( ভাবমূর্তি তত্ত্ব ), চবহংরাব ঋরহধহপরধষ ঊীঢ়বহফরঃঁৎব ( চিন্তাশীল আর্থিক ব্যয় ), ইবযধারড়ঁৎ ওহাবংঃসবহঃ ( ব্যবহার বিনিযোগ ) ঈবহঃৎড়রফধষ গধহধমবসবহঃ ঞযবড়ৎু ( ভারকেন্দ্রিক ব্যবস্থাপনা তত্ত্ব ) এড়ড়ফ গধহধমবৎরধষ ডযববষ ( ভালো ব্যবস্থাপনার চাকা ), ইবংঃ অষঃবৎহধঃরাব ঝড়ষঁঃরড়হ ধারণা তার নিজস্ব চিন্তা চেতনার ফসল। তিনি বাংলা সাহিত্যে অনেক শব্দের প্রবর্তক। যেমন: আনিয়ম (নিয়মও নয়, আবার অনিয়মও নয়), অনেরা, জলের গহনা, বিবলী শব্দের ¯্রষ্টা। তার সৃষ্ট কবিতার নতুন ধারা- ‘সাইবিতা’ । সাইবিতা সম্পর্কে কবির নিজের উক্তি  “Saibata is a new formet of poetry, which is bigger than Haiko and Smaller than Sonet”  তার উদ্ভাবিত সাইবিতা-১. নিঃশব্দে বুনে শব্দের কাব্য-কোষ, মানে না মানা জানে না আপোষ, খোঁজেনা কারো ভুাল ত্রুটি দোষ, কবিরা শিশু মনের-মানুষ, আক্রোশ হীন আবেগী পুরুষ। সাইবিতা-২. বউ মানে নাজেহাল, ঝগড়াটে জঞ্জল, মনে সন্দেহের বাতি, সারাক্ষণ খোঁজে স্বামীর ভেজাল। বউ সুখ তারার সুখ, প্রেম কৌলিন্য ঢেউ, সংসারে মায়ের পরে অদ্বিতীয় তার মত নেই কেউ। সাইবিতা-৩. অপরাধের সুত্রপাত এই দুটি হাত, মনবোনা এই অজুহাত, শ্রেষ্ঠ-সৃষ্ঠির বিশ্বস্ত হস্ত, জগতে মহৎ কর্মে রাখিব ব্যস্ত।

SAIBITA-1. Go ahead future poet, Dont avoid cause of void, Find the reason of zero weight, Dont forget solution waits. SAIBITA- 2. No watch follow work, Life is an avenue of works, Mankind is our stone-mark, Well build a peace-park, Itll destroy all darks. SAIBITA-3. Lose to win is a great victory, Pain“n’ gain is the behind story, Standing on  flame of glory. I put my memory to salute this history.

সুস্থ ভাবে বাসযোগ্য সমাজ গঠনের ভাবনা ও নিরন্তর চেতনা থেকে তিনি মাদকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার জন্য ‘মাদক নির্মূল কমিটি (মানিক)’ নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে মাদকের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সমাজের সর্ব শ্রেণী পেশার মানুষকে এক করে মাদক মুক্ত সমাজ গঠনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন । মানিকের শাখা প্রশাখা বাংলাদেশের সকাল জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়াও সুখী দাম্পত্য জীবনকে অনুপ্রানীত করতে সাইফুল্লাহ আল মামুন ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ‘দম্পতি মেলা’ ২০১৭ আয়োজন করেন। প্রতিবছর ‘কোজাগরি চাঁদ’ পূর্নিমা উৎসব পালন করেন। সদা হাস্যজ্জোল, প্রাণবন্ত, অতিথি পরায়ন, সামাজিক ও মানবিক গুনাবলী সম্পন্ন কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন আদর্শ দেশ ও জাতি গঠনের নিপুন কারিগর। দৈনিক রুদ্রবার্তা ও রুদ্রবার্তা পরিবারের পক্ষ্য থেকে তাকে সাধুবাদ। সমাজের সর্ব শ্রেণী পেশার মানুষের উচিৎ কবি সাইফুল্লাহ আল মামুন এর আদর্শ ধারণ করে তাকে রোল মডেল হিসেবে অনুকরণ, অনুস্বরণ করা। কবি সাইফুল্লাহ আল মামুনের জীবনে সার্বিক সাফল্য, উন্নতি, মঙ্গল ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি ।
¬¬¬¬
লেখক: সাংবাদিক শহীদুল ইসলাম পাইলট, সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক রুদ্রবার্তা, শরীয়তপুর। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ), ঢাকা।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন
Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInPrint this page

মন্তব্য

comments