আজ শনিবার | ২০ জুলাই, ২০১৯ ইং
| ৫ শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৫ জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী | সময় : রাত ৩:১৭

মেনু

শান্তির সুবাতাশে যেন ২০১৮ তে পরম তৃপ্তিতে আমরা জীবন ধারণ করতে পারি
বিদায় ২০১৭ স্বাগতম ২০১৮

শান্তির সুবাতাশে যেন ২০১৮ তে পরম তৃপ্তিতে আমরা জীবন ধারণ করতে পারি

সোমবার, ০১ জানুয়ারি ২০১৮
২:১৯ অপরাহ্ণ
141 বার

বলতে বলতে আরো একটি বছর আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেল। গতকাল ছিল ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ সালের শেষ দিন। আজ ১ জানুয়ারি ২০১৮ সালের প্রথম দিন। ২০১৭ কে বিদায় ২০১৮ কে বরণ করে নিতে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ নানা বর্ণীল আয়োজনের মধ্য দিয়ে থর্টি ফাস্ট নাইট উদযাপন করেছেন। এ আনন্দধারা একদিকে যেমন সুখের অন্য দিকে অনেক কষ্টের। সুখ-বিরহের স্বন্ধিক্ষণে দাড়িয়ে ঘড়ির কাঁটা ১২টার ঘরে পৌঁছানোর সাথে সাথেই ২০১৭ কে বিদায়ী অভিবাদন জানিয়ে ২০১৮ কে বরণ করে নিয়েছেন বিশ্ববাসী। বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায়ের ক্ষণটিকে সুখের মহিন্দ্রক্ষণ বলা চলে। নুতন কে বরণ করে পুরাতন কে বিদায় দেয়ার মাঝে আনন্দ বেদনা থাকে। নুতনের স্পর্শে সবই নুতন হয়ে যায়। সবই নুতন করে শুরু হয়। আবার ক্ষনটিকে বেদনা বিধূরও বলা চলে। জীবন থেকে একটি বছর খসে যাওয়ার কষ্টও কম নয়। একটি বছরকে বিদায় দেয়ার মানেই জীবন ছোট হয়ে যাওয়া। জীবন থেকে অনেক কিছু ঝরে যাওয়া। সর্বপরি হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ, মিলন-বিরহের মধ্য দিয়ে পুরাতনকে বিদায় দিয়ে নুতনকে বরণ করে নিতে হয়। এটাই হচ্ছে পৃথিবীর নিয়ম। এ নিয়মের বাইরে যাবার সুযোগ মানব জীবনে নেই। তবুও কথা থেকে যায়। অতিতের ভুল ভ্রান্তি থেকে ভবিষ্যতের শিক্ষা নিতে হয়। সেটা যারা নিতে পারে তারাই সফলতা অর্জন করতে পারে। সে হিসেবে ২০১৭ বছরের সফলতা ব্যর্থতার হিসাব বিশ্লেষণ করে ২০১৮ বছরে কর্ম পরিকল্পনা তৈরী করতে পাড়ার মধ্যে বর্ষ বরণের স্বার্তকর্তা আর্ন্তহিনিত। ২০১৭ জাতীয় জীবন নানা ঘটনা দুর্ঘটনার মধ্যদিয়ে অতিবাহিত হয়েছে। বছর জুড়ে আলোচনায় ছিল জঙ্গীবাদী তৎপরতা। হোলি আর্টিজন, ষোলাকিয়া, সিলেটের আতিয়া মহল সহ দেশের বিভিন্ন স্থান জঙ্গী আস্থানা এবং এ সব জঙ্গী আস্তানা নির্মূলে পুলিশী তৎপরতায় ছিল উল্লেখযোগ্য। গুম নিখোঁজের ঘটনা ছিল আলোচিত। হঠাৎ গুম হয়ে যায়। আবার ফিরে আসা, ফিরে এসে নিশ্চুপ হয়ে যাওয়া নিয়ে আলোচনার সমাপলোচনায় মুখর ছিল ২০১৭ বছর। রাজনৈতিক উত্তেজনা তেমন না থাকলেও রাজনৈতিক সমঝোতা নিয়ে ব্যপক কথাবার্তা হয়েছে। নতুন নির্বাচন কমিশণ গঠন ছিল উল্লেখযোগ্য ঘটনা। কয়েকটি ঘটনার সরকারের মধ্যে ছিল অস্বস্তি। বিচার বিভাগও নির্বাহী বিভাগের মুখোমুখি অবস্থান। প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ, রোহিঙ্গা সমস্যা দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎপরতা ইত্যাদি নিয়ে সারা বছরই কাথা বার্তা হয়েছে। সফলতা ব্যর্থতা দুই ছিল সমতালে। পদ্মা সেতুর দৃর্শমান অবস্থা, কমওয়েলর্থ পার্লামেন্টারী সম্মেলন, বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ইত্যাদিও আলোচনার মুখ্য বিষয় ছিল। সুশাসনের সূচকে নিন্মমুখী ধাপ ছিল উল্লেখ যোগ্য। সব মিলে ২০১৭ ছিল ঝাল, টক, মিষ্টময় একটি বছর। ২০১৮ হবে আমাদের জাতীয় জীবনে চমকপ্রদ একটি বছর। কারণ জাতীয় নির্বাচন ২০১৮ এরশেষ প্রান্তে অনুষ্ঠিত হবার কথা। সে হিসেবে নির্বাচন কে সামনে রেখে ২০১৮ তে অনেক কিছু ঘটবে। অনেক কিছু অবলোকন করার সুযোগ আমাদের হবে। কিন্তু কথা হলো যাই ঘটুক, যাই হউক সবই যেন মঙ্গলময় হয়। সবই যেন শান্তির হয়। শান্তির সুবাতাশে যেন ২০১৮ তে পরম তৃপ্তিতে আমরা জীবন ধারণ করতে পারি, বসবাস করতে পারি সে প্রত্যাশাই করি। অতীতের সকল ভুল ভ্রান্তি, সকল গ্লানী মুছে যাক। ভবিষ্যতে শান্তির শ্বেত পারাবাত আমাদের আঙ্গীনায় বিচরণ করুক। আমাদের ব্যক্তি জীবনে, পারিবারিক জীবনে জাতীয় জীবনে ২০১৮ বয়ে আনুক অনাবিল শান্তি, পরমতৃপ্তি চরম প্রশান্তি। বিদায়- ২০১৭ স্বাগত-২০১৮।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন
Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInPrint this page

মন্তব্য

comments