আজ মঙ্গলবার | ২১ মে, ২০১৯ ইং
| ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৫ রমযান, ১৪৪০ হিজরী | সময় : দুপুর ১২:৪৭

মেনু

ধর্ষক আরিফের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক

ধর্ষক আরিফের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক

রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭
১০:১৬ পূর্বাহ্ণ
106 বার

ভেদরগঞ্জের বহিস্কৃত ছাত্রলীগ নেতা আরিফ হোসেন হাওলাদার প্রতারণা ও ভয়ভীতির মাধ্যমে ৬ নারীকে কৌশলে ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে তার ভিডিও চিত্র ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়েছে। ভুক্তভোগী এক নারী তার বিরুদ্ধে ভেদরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। এর পর থেকে সে পলাতক ছিল। পলাতক অবস্থায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছেন। গ্রেফতারের পর আদালতে হাজির করা হলে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। পরে তাকে জেলে হাজতে প্রেরণ করা হয়। এমতাবস্থায় আরিফের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। আরিফ যে অপরাধ করেছে তা ক্ষমার অযোগ্য। তার প্রতি অনুরাগ অনুকম্পার সুযোগ নেই। সে ঠান্ডা মাথায় একজন সিরিয়াল ধর্ষক। তার অপরাধের ধরণ ও পরিমান উদ্বেগ জনক। সে সম্পুর্ন ঠান্ডা মাথায় কৌশলে এলাকার নিরিহ নারীদের সঙ্গে বলতে গেলে কিছুটা জোর করে কৌশলে সম্পর্ক স্থাপন করে তাদের বিভিন্ন ধরনের ছবি তুলে, ভিডিও করে তা দেখিয়ে পরবর্তীতে ধর্ষণ করে আসছিল। ধর্ষিতারা বেকায়দায় পড়ে অনেকটা অনিচ্ছাসত্বে তার ফাঁদে পা দিয়েছে। এ ধরণের অপরাধ বিরল, ভয়াবহ ও মারত্মক। আরিফ নারী নির্যাতন, নারী ধর্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনে অপরাধী। অপরাধের কথা সে স্বীকারও করেছে। তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, নারী ধর্ষণ, প্রতারণা ও তথ্য প্রযুক্তি ধারায় অভিযোগ রুজু করা প্রয়োজন। জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী এক, নারী ধর্ষণ মামলা রুজু করেছেন। ধর্ষণের সঙ্গে প্রতারণা, নির্যাতন ও তথ্য প্রযুক্তি অপরাধ ধারা সংযুক্ত করা দরকার তার সবোর্চ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য। তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে এ ধরনের অপরাধ বেড়ে যাবে। অপরাধীরা উৎসাহী হবে। তার অপরাধের ভয়াবহতায় সারদেশ হতবিহবল। দেশের সব ধরনের মানুষ তার বিরুদ্ধে সোচ্চার। সবাই তার অপরাধের শাস্তি দাবী করে আসছে। মিডিয়া তার অপরাধের স্বচিত্র প্রতিবেদন বার-বার ফলাও করে প্রচার করে অসছেন। এ অবস্থায় তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের উদ্যোগ নিতে হবে। স্বাক্ষি প্রমান সহ কোন কিছুতেই ঘাটতি রাখা যাবে না। আইনের সঠিক ধারা উপস্থাপন করতে হবে তার শাস্তির জন্য। সে যেহেতু রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল সেহেতু রাজনৈতিক চাপ আসবে, টেলিফোন আসবে, অনুরোধ আসবে, কিন্তু কোন কিছুর কাছেই মাথা নত করা যাবেনা। বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। তার শাস্তি যেন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে সে ব্যবস্থার উদ্যোগ হতে হবে। কোন দূর্বল ফরোয়াডিং, দুর্বল আইনী ধারার কারনে যেন আরিফ বেরিয়ে যেতে না পারে সে ব্যাপারে যত্মশীল হওয়া প্রয়োজন। কোন আপোসরফা নয়, কোন কারসাজি, কোন নমনীয়তা নয়, কোন উদাসীনতা নয়, কোন লোভ লালশা নয়। সবকিছুর উর্ধেŸ থেকে ৬ নারী ধর্ষক লম্পট আরিফের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য যা করা দরকার তা করতে হব্।ে বিষয়টির প্রতি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নজর রাখা প্রয়োজন। নজর দারীর অভাবে যেন দৃশপট পাল্টে যেতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা চাই সত্যের জয় হউক। অপরাধীর বিচার হউক। বিচারের বাণী যেন অসহায় হয়ে নিভূতে না কাঁদে এ প্রত্যাশা সকলের। আর কোন আরিফের হাতে যেন নিরহ নারীরা সম্ভ্রম না হারায় সে দৃষ্টান্ত আরিফের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত স্থাপন করতে হবে।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন
Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInPrint this page

মন্তব্য

comments